দেশ

কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে স্পেনের প্রযুক্তি-অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আহ্বান

16views


বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো বেনিতেজ বলেছেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়ন ও উন্নত যন্ত্রপাতির ব্যবহার, কৃষি পণ্য বহুমুখীকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে স্পেনের প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-ডিসিসিআই’র সভাপতি রিজওয়ান রাহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

ফ্রান্সিসকো বেনিতেজ বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ উল্লেখজনক হারে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং করোনা মহামারিতেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম চলমান ছিল, যা অনুসরণীয় একটি বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে তৈরি পোশাক খাতের আধিক্য থাকলেও স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, অবকাঠামো, রেলওয়ে এবং ভারী যন্ত্রপাতি প্রভৃতি খাতে দু’দেশের বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণে যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।’

তিনি জানান, ইউরোপীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কৃষিপণ্য উৎপাদন ও এ বিষয়ক ব্যবসা-বাণিজ্যে স্পেন প্রথম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণ এবং এগুলোকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে স্পেনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগানোর প্রস্তাব করেন রাষ্ট্রদূত।     

এ সময় ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও স্পেনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২.৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে বাংলাদেশ প্রায় ২.১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। এর বিপরীতে আমদানির পরিমাণ ১৭৭.৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রধানত তৈরি পোশাক খাতের পণ্য স্পেনে রফতানি করে থাকে। এছাড়া বাংলাদেশে উৎপাদিত জুতা, কার্পেট, পাটজাত পণ্য, বাইসাইকেল, প্লাস্টিক ও ডেইরি পণ্যে রফতানির প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।’

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি দেশের অবকাঠামো, রেলওয়ে, কৃষি যন্ত্রপাতি, কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন, অটোমোটিভ, তথ্য-প্রযুক্তি এবং এপিআই প্রভৃতি খাতে স্পেনের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। 

ঢাকা চেম্বার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে এ মবিন, সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন এবং স্পেন দূতাবাসের বাণিজ্যিক অ্যাটাশে ফ্রান্সিসকো খাবিয়ের ইয়েপেস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 





Source link