আমাদের দেশদেশধর্ম ও দর্শন

নামাজ আদায়ের নিষিদ্ধ সময় সমূহ।

নামাজের নিষিদ্ধ সময় সমূহ।
44views

ইসলামের দ্বিতীয় রুকন হচ্ছে নামাজ।নামাজ বেহেশতে্র চাবি। ইসলামে নামাজ অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদাত।যে ব্যক্তি যত বেশি নামাজ আদায় করবে সে আল্লাহ তায়ালার প্রিয় বান্দাদের মধ্যে গণ্য হবে।

এই নামাজ আদায়ের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু নিয়ম-কানুন। নামাজ আদায় করার জন্য রয়েছে নির্ধারিত সময়, যে সময়গুলোতে নামাজ আদায় করলে অনেক বেশী সওয়াব পাওয়া যায়।

তবে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে কিছু সময় রয়েছে যে সময়গুলোতে নামাজ আদায় করা নিষেধ।ওই সময় গুলোতে নামাজ আদায় করা হারাম।

হযরত নবী করীম (সাঃ)সাহাবি উকবা বিন আমের জুহানী রা. বলেন, ‘তিনটি সময়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে নামাজ পড়তে এবং মৃতের দাফন করতে নিষেধ করেছেন। সূর্য উদয়ের সময়; যতক্ষণ না তা পুরোপুরি উঁচু হয়ে যায়। সূর্য মধ্যাকাশে অবস্থানের সময় এবং পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়া পর্যন্ত যখন সূর্য অস্ত যায়’।

[সুবুলুস সালাম : ১/১১১, মুসলিম : ১/৫৬৮]

হাদীসে উল্লেখিত তিনটি সময়ে নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছ।

১. সূর্য উদয়ের সময়।

সূর্য উদয়ের সময় বলতে এখানে ফজরের নামাজের পর যখন পূর্ব আকাশে সূর্য উদিত হওয়া শুরু করে সেই সময়কে বুঝানো হয়েছে।অধিকাংশ ইসলামিক স্কলারের মতে সূর্য উদয়ের শুরু থেকে ১০-১৫ মিনিট সময় পর্যন্ত সর্ব প্রকার নামাজ পরা নিষেধ।এমনকি ফজরের নামাজও এই সময়ে পড়া যাবেনা। কেউ যদি ফজরের নামাজ না পড়ে থাকেন তাহলে এই নির্ধারিত নিষিদ্ধ সময়ের পর আদায় করতে হবে।

২. সূর্য যখন মধ্য আকাশে অবস্থান করে।

দিনের যে সময়টাতে সূর্য মাথা বরাবর উপরে অবস্থান করে অর্থাৎে আকাশের মধ্য স্থানে চলে আসে ওই সময়েও সালাত আদায় করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। কারণ ওই সময় জাহান্নামের আগুনকে উত্তপ্ত করা হয়।

৩. সূর্যাস্তের সময়।

সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে অর্থাৎ অস্ত চলে যাওয়ার সময়টাতে সালাত আদায় করতে নিষেধ করা হয়েছে। এ সময় সুন্নত, নফল, ওয়াজিব কিংবা শুকুরানা সেজদাও আদায় করা যাবেনা।

তবে কোন ব্যক্তি যদি কোন কারনে আসরের নামাজ আদায় না করে থাকেন ওই সময়ে আসরের নামাজ আদায় করার হুকুম আছে।তবু নামাজ কাযা করা যাবে না।  

আরও পড়ুনঃ- নামাজ ভঙ্গের কারণ ১৯ টি।

Source :