বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্বের চর্চার বিকাশ লাভ করে মূলত আঠারো শতকেই। বাংলায় প্রত্নতত্ত্ব চর্চার সূচনা হয় উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে। বর্তমান বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গের বিভিন্ন প্রত্নস্থলের চিহ্নিতকরণ ও তা খননের মাধ্যমে বাংলায় প্রত্নচর্চার যাত্রা শুরু। বাংলাদেশের কোন কোন অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে পাথুরে হাতিয়ার পাওয়া গেলেও এই বদ্বীপ ভূমিতে প্রাগৈতিহাসিক পর্বের অস্তিত্ব ছিল এমনটি ধারণা করা হতো না। এদেশে ফসিল কাঠের হাতিয়ার তৈরির যে ঐতিহ্য গড়ে উঠেছিল, অতি সম্প্রতি তা বিস্তৃত অঞ্চলে শনাক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশের ভূখন্ডে প্রাপ্ত প্রত্নবস্ত্তসমূহ মূলত ‘আদি ঐতিহাসিক’ ও ‘আদি মধ্যযুগের’। প্রত্নঅঞ্চলসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নওগাঁর পাহাড়পুর, বগুড়ার মহাস্থান এবং কুমিল্লার ময়নামতী, ঢাকার লালবাগ দুর্গ, আহসান মঞ্জিল, রাজশাহীর পুঠিয়া রাজবাড়ী, বাঘা মসজিদ, তাড়াশ জমিদার ভবন, পুঠিয়া শিবমন্দির তাছাড়া রয়েছে মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার ইত্যাদি উল্লেকযোগ্য। প্রতিটি অঞ্চলই যার যার দিক থেকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ।

বাংলাদেশের উল্লেকযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলসমূহ

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে এই বিহার তৈরি করছিলেন…

মহাস্থানগড়

বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন নামেও পরিচিত ছিল। এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল। প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এখানে সভ্য জনপদ …

বাঘা মসজিদ

বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। সুলতান নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ ১৫২৩ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন…

আহসান মঞ্জিল যাদুঘর

ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে গোলাপী মহিমান্বিত আহসান মনজিল সম্প্রতি সংস্কার করা হয়েছে এবং একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে।…

লালবাগ দুর্গ

এটি ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র যুবরাজ মোহাম্মদ আজম দ্বারা নির্মিত হয়েছিল…

ষাট গম্বুজ মসজিদ

ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য…

পুঠিয়া রাজবাড়ী

পুঠিয়া রাজবাড়ী বা পাঁচআনি জমিদারবাড়ী হচ্ছে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবীর বাসভবন। ১৮৯৫ সালে মহারানী এটি নির্মাণ করেন। বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের মধ্যে রাজশাহীর পুঠিয়া রাজবাড়ী অন্যতম…

পুঠিয়া শিবমন্দির

রাজশাহীর যে স্থানটি পর্যটকদের সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট করবে সেটি নি:সন্দেহে পুঠিয়া। পুঠিয়া শিবমন্দির বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা…

মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার

মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহারটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পবিত্র এবং প্রাচীনতম নিদর্শন। এখানে একটি বড় মুর্তি আছে। কথিত আছে এই মূর্তিটি উপ মহাদেশে গৌতম বুদ্ধের সর্ব বৃহৎ মুর্তি।…