কুয়াকাটা

শুঁটকি পল্লী

শুঁটকি পল্লী
216views

কুয়াকাটার আশেপাশে গড়ে উঠেছে ৩২টি শুঁটকি পল্লী। মাছ আহরণ থেকে শুরু করে শুঁটকি বাজারজাতকরণ পর্যন্ত চলে শুঁটকি শ্রমিকদের কর্মকাণ্ড। প্রতিদিন হাড়ভাঙ্গা কাজের মাঝে চলছে কুয়াকাটার শুঁটকি পল্লীগুলোর মানুষের জীবনযাত্রা। তবে পরিবহন সমস্যা, সিন্ডিকেট আর সরকারি মনিটরিংয়ের অভাব থাকায় প্রতিনিয়ত স্থবির হয়ে যাচ্ছে কুয়াকাটার শুঁটকি শিল্প।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটার আশেপাশে  শ্রম দিচ্ছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার শ্রমিক।

সাগরকন্যা কুয়াকাটার শুঁটকির সারাদেশে রয়েছে বেশ কদর। এখান কার ব্যবসা বাণিজ্যের মধ্যে অন্যতম হল শুটকি প্রক্রিয়াজাতকরণ। মৌসুমের শুরুতেই সৈকতের কোলজুড়ে শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন শুঁটকি ব্যবসায়ীরা। এ সময় আবাল-বৃদ্ধ-বনিতাসহ পরিবারের সবাই ব্যস্ত শুঁটকি তৈরিতে থাকেন ব্যস্ত।
সরেজমিনে দেখা যায় কুয়াকাটা, মহিপুর, আলিপুর, লেবুর চর, গঙ্গামতির চর, আশাখালী, নাজীমপুরের বিভিন্ন চরে শুকানো হয় এই শুঁটকিগুলো।

ঘাটে মাছ আসলে মাছগুলোকে বাছাই করে বিভিন্ন শ্রেনীতে আলাদা করা, ধুয়ে কেটে মাছগুলো শুকাতে দেয়া, রোদে একাধিকবার মাছগুলোকে উল্টে দেয়া, শুকানো হলে গুছিয়ে শুঁটকিগুলোকে ঘরে তোলা, শুঁটকিগুলোকে বাজারজাতকরণের জন্য গ্রেড করা, বস্তাবন্দি করা কিংবা প্যাকেট করা সহ হরেক কাজে প্রতিদিন ব্যস্ত থাকে শুঁটকি পল্লীর প্রতিটি শ্রমিক।
কুয়াকাটার বিভিন্ন শুঁটকি পল্লীতে কর্মরত শ্রমিকদের তথ্যমতে, এখানে তিন প্রকারে প্রাকৃতিক নিয়মে শুঁটকি তৈরি করা হয়। এই তিন প্রকারের প্রক্রিয়া হচ্ছে- ১) রোদে শুকিয়ে, ২) লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে এবং ৩) আগুনে ছেঁকে

Source :