১৯৭১ সনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর পরই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধান প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান যা সামরিক নীতি প্রণয়ন এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ করেন। এই মন্ত্রণালয়টি একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সশস্ত্র বাহিনী, আন্তঃবাহিনী দপ্তর এবং প্রতিরক্ষা সহায়ক অন্যান্য দপ্তর ও সংস্থার সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান দায়িত্ব।সশস্ত্র বাহিনী জরুরি অবস্থা সময়ে অভ্যন্তরীণ শান্তি ও সুরক্ষা বজায় রাখতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যাদি যেমন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনগুলিও যখন প্রয়োজন হয় তখন তাদের দ্বারা পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান তিনটি শাখা রয়েছে, নাম, সেনা, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী। বাংলাদেশ রাইফেলস, বাংলাদেশ পুলিশ, আনসারস এবং ভিলেজ ডিফেন্স পার্টির মতো আধাসামরিক বাহিনীও দেশে বিদ্যমান।

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীসমূহ

  • বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  • বাংলাদেশ নৌবাহিনী
  • বাংলাদেশ বিমান বাহিনী
  • আন্তঃবাহিনী সংস্থাসমূহ
  • সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তর (ডিজিএমএস)

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজ (এনডিসি)

  • ডিফেন্স সার্ভিসেস কম্যান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি)
  • মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)
  • বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)
  • আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ (এএফএমসি)
  • আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইন্সটিটিউট (এএফএমআই)
  • আর্মড ফোর্সেস ইন্সটিটিউট অব প্যাথলজি এন্ড ট্রান্সফিউশন (এএফআইপি)
  • বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ)
  • আন্তঃবাহিনী নির্বাচন পর্ষদ (আইএসএসবি)
  • বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী বোর্ড (বিএএসবি)
  • প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তর (ডিজিডিপি)
  • প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)
  • আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)
  • ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পরিষদ