ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছিল। সিস্টেমটির ৪টি স্তর রয়েছে — প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা উভয়ই বাধ্যতামূলক, যদিও সর্বজনীন অংশগ্রহণ একটি সত্যের চেয়ে আদর্শ হিসাবে থেকে যায়। প্রাথমিক শিক্ষা আট বছর নিয়ে গঠিত, যখন মাধ্যমিক শিক্ষা চার বছর স্থায়ী হয়।

মাধ্যমিক শিক্ষা নিম্ন স্তরের এবং উচ্চতর স্তরে বিভক্ত এবং বিদ্যালয়ের প্রতিটি স্তরের সমাপনীতে পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শহর ও শহরগুলির স্কুলগুলি গ্রামীণ অঞ্চলের স্কুলগুলির তুলনায় সাধারণত ভাল-কর্মচারী এবং ভাল-অর্থায়িত হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনশীল এবং বিভিন্নরূপ শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়ে গঠিত।

এই শিক্ষা ব্যবস্থা প্রধানত প্রাথমিক স্তর ৪টি:-

  • প্রথমিক
  • মাধ্যমিক
  • উচ্চ মাধ্যমিক
  • উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর

প্রথমিক স্তর

প্রথম পর্যায়, এ শিক্ষা ব্যাবস্তা আসে প্রাক-প্রাথমিকের পরে এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আগে। শিশুদের হাতে খরি শুরু হয় এখানথেকেই। প্রাথমিক শিক্ষা অর্জিত হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, বাংলা, ইংরেজি, গণিত ইত্যাদি বিষয়ের উপর মৗলিক ধারনা দেয়া হয়। এবং শিশুদের পড়া-লিখার উপর ধরণা দেয়া হয়। এটি আইএসসিইডি স্তর ১ : প্রাথমিক শিক্ষা বা মৌলিক শিক্ষার প্রথম পর্যায়।

মাধ্যমিক স্তর

মাধ্যমিক শিক্ষা মূলত বয়ঃসন্ধি কালের শিক্ষা। এ স্তরে  শিক্ষার উচ্চতর ধারায় প্রবেশের পূর্ববর্তী শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষার পরবর্তী এবং উচ্চশিক্ষার পূর্ববর্তী স্তরের শিক্ষাকেই মাধ্যমিক শিক্ষা বা Secondary Education বলে। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রন্তিক শিক্ষা হিসেবেও গন্য করা হয় একে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা স্তর। এই স্তর থেকে নির্ধারণ হয় কে কোন বিষয় নিয়ে পড়া-লিখা করবে। মাধ্যমিক শিক্ষার সংঙ্গা দিতে গিয়ে  অধ্যাপক ড.শেখ আমজাদ হোসেন বলেন ”আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার পরবর্তী এবং উউচ্চশিক্ষার পূর্ববর্তী,মধ্যবর্তী শিক্ষাস্তরই হলো মাধ্যমিক শিক্ষা।”

উচ্চ মাধ্যমিক স্তর

এ স্তরটি  একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি নিয়ে গঠিত এবং এই স্তরের একটি সংখিপ্ত নাম হল (HSC) মাধ্যমিক স্তর সফলতার সাথে অতিক্রম করার পর ছাত্র ছাত্রীরা এ শিক্ষা স্তরে প্রবেশ করে। এ স্তরে রয়েছে ৩ টি স্তর

  • বিজ্ঞান বিভাগ
  • মানবিক  বিভাগ
  • বানিজ্য বিভাগ

এ ৩টি  বিভাগের যে কোন একটিতে পড়া শোনা করতে পারে শিক্ষার্থীরা। এ স্তর শেষ করে তারা স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে পেশাগত শিক্ষা যেমন; ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, বিজ্ঞানী, ব্যবসায়িক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক অর্থনীতিবীদ ও রাজনীতিবীদসহ যে কোন বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান অর্জন কর।

উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর:-

এটি বাধ্যতামূলক শিক্ষা স্তর নয়। তৃতীয়তঃ স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষা সহ বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ কে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানত উচ্চ শিক্ষা প্রদান করে। সমষ্টিগতভাবে এইগুলি উচ্চ বিভাগ হিসাবে পরিচিত। উচ্চ শিক্ষা সম্পন্ন করা ব্যক্তি সাধারণত সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা, বা একাডেমিক ডিগ্রী প্রাপ্ত হয়ে থাকে । বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শিক্ষাদান, গবেষণা এবং সামাজিক সেবা কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং এটি স্নাতক পর্যায়ে উভয়ই অন্তর্ভুক্ত (কখনও কখনও উচ্চতর বিভাগ হিসাবে উল্লেখ করা হয়) এবং স্নাতক (বা স্নাতকোত্তর) স্তর (কখনও কখনও স্নাতক স্কুল হিসাবে পরিচিত)। এছাড়া বাংলাদেশে আরো কিছু শিক্ষা ব্যবস্তা রয়েছে যেমন, মাদরাসা ‍শিক্ষ , ডিপ্লমা শিক্ষা ইত্যাদি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শিক্ষাদান, গবেষণা এবং সামাজিক সেবা কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং এটি স্নাতক পর্যায়ে উভয়ই অন্তর্ভুক্ত (কখনও কখনও উচ্চতর বিভাগ হিসাবে উল্লেখ করা হয়) এবং স্নাতক (বা স্নাতকোত্তর) স্তর (কখনও কখনও স্নাতক স্কুল হিসাবে পরিচিত)।

এছাড়া বাংলাদেশে আরো কিছু শিক্ষা ব্যবস্তা রয়েছে যেমন, মাদরাসা ‍শিক্ষ , ডিপ্লমা শিক্ষা ইত্যাদি।

মাদরাসা শিক্ষা :-

এ শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্যই হলো ইসলাম